২০০৭ সালে তাশান মুভিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার আগে পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ আচারিয়া কারিনা কাপুরকে বলেছিলেন, তার গল্পের নায়িকাকে “জিরো ফিগার” হতে হবে। কারিনা তখন আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছিলেন হৃষ্টপুষ্ট ফিগারকে জিরোতে শেপ দেওয়ার জন্য। এটা কি? এটা হল গল্পের চাহিদা। আবার ডার্টি পিকচারে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার আগে বিদ্যা বালানকে ফিগারে মেদ বাড়াতে হয়েছিল। এখন দিঘী যদি মনে করে ডিরেক্টর রায়হান রাফি তাকে অশ্লীলভাবে অপমান করেছেন অথবা বুলিং করেছেন, ব্যাপারটা কেমন দাঁড়ালো? দিঘীর জন্ম হয়েছে ফিল্ম লাইনের চৌহদ্দির মধ্যে। তার মা দোয়েল বি গ্রেডের অভিনেত্রী ছিলেন। বাবা সুব্রতও একই। তখনকার নির্মাতারা দোয়েলকে এককভাবে ভরসা করে ছবি বানাতে সাহস করেননি। এতবড় রিস্ক কে নেবে? তাই দোয়েলকে বলতে গেলে দ্বিতীয় অভিনেত্রী হিসেবে ক্যারিয়ার টানতে হয়েছিল। সুব্রতের বেলায়ও তাই। তবুও দোয়েল সবার পছন্দের ছিলেন। মর্যাদাপূর্ণ জীবন কাটিয়েছেন। কিন্তু তার মেয়ে হিসেবে দিঘী মায়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারেনি।
মা মরা মেয়ে হিসেবে দিঘীর সবার মনে স্নেহ মমতা আছে। কিন্তু দিঘী খুব অল্প বয়স থেকেই পাকতে শুরু করেছে। ঘরে মা না থাকলে যা হয় আর কি। পিতা সুব্রতকে দিঘী শুনবে কেন? দিঘীকে উশৃঙ্খল বেপরোয়া বানিয়েছে তার শকুনি মামা আবু নুসরাত ভিক্টর আর খালা ক্যামেলিয়া হক সূচনা। দিঘী তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে, কথা সত্য। পুরস্কারের কথা তুলে তারা দিঘীর অসমর্থিত কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি দিতে চাচ্ছেন। অভিনয়ের দিকে সিরিয়াস না হয়ে সে সস্তা টিকটক সেলিব্রেটি বনে গিয়েছে। সেদিন আমার এক্স গৃহকর্মীর মেয়েকে দেখলাম টিকটকে মাধুরীর মত পারফর্ম করছে। টিকটক পল্যুশনে অধ্যুষিত সিনেপাড়া নাটকপাড়া। দিঘীকে উচ্ছন্নে নিয়ে গেছে তার শকুনি মামা আবু নুসরাত ভিক্টর।
সত্যি কথা শুনতে খারাপ লাগবে কেন? দিঘীকে নায়িকা হিসেবে আসলেও তো মানায় না। আইটেম গার্ল টিকটক গার্ল হিসেবে সে মানিয়ে নিচ্ছে নিজেকে। নায়িকাকে একটু গ্র্যাভিটি নিয়ে চলতে হয়। নায়িকাকে এমন অ্যাভেইলেবল দেখতে চায়না দর্শকেরা। নায়িকার ব্যক্তিত্বের ওজন থাকতে হয়। কথাবার্তার ধরণ ফাজিলের মত হলে তাকে নায়িকা ভাবা যায়?? শিশুশিল্পী থেকে বিভিন্ন খুচরা অনুষ্ঠানে নাচগান করা আর টিকটক– এইতো দিঘীর ক্যারিয়ার। ওকে নায়িকা হিসেবে কে দেখতে চায়? তবে রাফি খুব একটা খারাপ বলেননি। তবে তার ভুল হয়েছে এভাবে রিএক্ট করা। সেটাকে পুঁজি করে দিঘীর “ধর্মের বড়বোন” সুবাহ দুর্বার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। তুমি দিঘী ফিল্ম লাইনে বাসিন্দা। গল্পের প্রয়োজনে নির্মাতার কথামতো তোমাকে চলতে হবে। দিঘী, তুমি বড়লোকের পোলা কামানের গোলার সাথে ফষ্টিনষ্টি বাদ দাও। বেশি বেশি করে শাবানা আজমী রেখা শ্রীদেবী বিদ্যা বালান জয়াপ্রদা মাধুরীর অভিনয় দেখো, অভিনয় শেখো। আর তোমার মা দোয়েলকে স্মরণ করো। তোমার এসব উদ্দাম চলাফেরায় তোমার মৃত মায়ের আত্মা কষ্ট পাচ্ছে।
দাইউজ
চরম লেবেলের বেয়াদব
কইছে সে-তো সানি লিওনের ভক্ত।
নমরুদের মেয়ে
ইনকামের জন্য টাকা কামানোর মেশিন বানাইছে।
মেয়ে বেপর্দায় চলা ফেরা করলে,বাবা বিচারের সমমুখীন হবেন,এতএব,আমরা বাবারা সাবধান।
একবার মাইয়া মানুষ উড়লে আর কন্ট্রোল করা যায় না