বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকার প্রবেশমুখে চেকপয়েন্ট বসানোসহ তল্লাশি জোরদার করেছে পুলিশ। গাজীপুরে সড়ক-মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দুরপাল্লার বাস থামিয়ে যাত্রীদের তল্লাশি করা হচ্ছে। যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদসহ তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও বস্তা খুলে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মেসেজ ও ছবি চেক করছে পুলিশ। এতে অস্বস্তি জানিয়েছেন অনেকেই।
ঢাকার প্রবেশমুখে চেকপয়েন্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ
উত্তরবঙ্গ থেকে রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার হচ্ছে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এবং শ্রীপুরের জৈনা বাজার। এই দুই পয়েন্টেই চেক পোস্ট বসিয়ে দূরপাল্লার বাস, মোটরসাইকেল, পিকআপের গতিরোধ করে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
গাজীপুরের টঙ্গীতেও বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। টঙ্গী ব্রিজের উত্তরপাশে এই তল্লাশি চৌকিতে ঢাকামুখী যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার মানুষের ঢাকায় প্রবেশ করতে টঙ্গীর তল্লাশি চৌকিটি এড়ানোর সুযোগ নেই।
তল্লাশির শিকার অনেকেরই অভিযোগ, তারা জরুরি কাজে যে যার মতো ঢাকায় যাচ্ছেন। কোনো রাজনীতির সঙ্গে তারা জড়িত নন। তারপরও পুলিশ তাদের গাড়ি থামিয়ে শরীর তল্লাশি করছে। মোবাইল ফোনের ব্যক্তিগত তথ্য, মেসেজ ও ছবি ঘেঁটে দেখছে।
গাজীপুরের ব্যবসায়ী শিপন জানান, ব্যক্তিগত কাজে দুপুরে ঢাকায় যাচ্ছিলাম। টঙ্গী ব্রিজের উত্তরপাশে বাস থামায় পুলিশ। অনেককেই শরীরে হাতিয়ে তল্লাশি করে। তারা আমার স্মার্ট ফোন নিয়ে ফেসবুক, ইমো, ম্যাসেঞ্জার ও হোয়াটস অ্যাপের মেসেজ ঘাঁটাঘাঁটি করে।
কালিয়াকৈর থানার এসআই আজিম হোসেন বলেন, কেউ যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড না ঘটাতে পারে, সে জন্য বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। কাউকে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে অনাহুত হয়রানি করা হচ্ছে না কাউকে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার কাজী শফিকুল আলম বলেন, আমরা গত ১ ডিসেম্বর থেকেই বিশেষ অভিযান চালাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় মহাসড়কগুলোর গাড়িতে তল্লাশি চলছে। পুলিশ চেক-পোস্ট বসালেও কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না।
Kuttaliger pa chata najayej kuttara