আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যাদের চোখ আছে, তারা উন্নয়ন দেখবে। কিছু প্রতিবন্ধী বুদ্ধিজীবী কোনো উন্নয়ন দেখেন না। গণতান্ত্রিক ধারায় দেশ চললে তারা হতাশ হন।
তিনি বলেন, দেশের কিছু প্রতিবন্ধী বুদ্ধিজীবী জামা-কাপড় ইস্ত্রি করে বসেই থাকেন অগণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার জন্য। যারা কোনো উন্নয়ন চোখে দেখেন না, তারা প্রতিবন্ধী বুদ্ধিজীবী। তারা যে কোনো ভাবে আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে চান। কারণ অগণতান্ত্রিক সরকার এলে তাদের কদর বাড়ে। তারা অগণতান্ত্রিক সরকারের দ্বারা ব্যবহৃত হয়। তবে নির্বাচিত সরকার হটিয়ে অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় আনলে দেশের কোনো ভালো হবে না।
বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের শুরুতে স্বাগত বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, যখন আওয়ামী লীগ সরকারে এসেছে, তখনই মানুষের জীবনমান উন্নত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার নিজেকে জনগণের সেবক মনে করে। বিএনপি-জামায়াতের শাসনামল ছিল জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের আমল। বিএনপির সময় দুর্নীতিই নীতি হয়েছিল। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস লুটপাট মিলে দেশে আরেকটি কালো অধ্যায় শুরু হয়। বিএনপির রাজনৈতিক ধারাবাহিকতাই ছিল অগণতান্ত্রিক, অবৈধ উপায়ে।
তিনি বলেন, জেনারেলের পকেট থেকেই বিএনপির জন্ম। দেশের মাটি ও মানুষ থেকে এদের জন্ম হয়নি। এরা সবসময় মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। ২০০১ ও ২০০৬ সালে প্রতিবার তারা ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। ২০০১ সালের নির্বাচনও ছিল গভীর চক্রান্ত। জনগণের ভোট আওয়ামী লীগ পেয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় বসতে পারেনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচন নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ ছিল না। সেসময় বিএনপির সব পছন্দের লোকই ক্ষমতায় থাকার পরও যে দল ৩১টি আসন পায়, সেই দল জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসবে- এটা বিএনপির নেতারা কীভাবে মনে করেন?’
তিনি আরও বলেন, যে দলের নেতারা বিদেশে টাকা পাচারের জন্য শাস্তি পাওয়া, গ্রেনেড হামলায় শাস্তি পাওয়া, তারাই আবার টাকা পাচার নিয়ে কথা বলে বেড়ান। যে দলের নেতারা গ্রেনেড হামলায় সাজাপ্রাপ্ত, দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান, মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত, জনগণের ভোটে সেই দল ক্ষমতায় যাবে- এ স্বপ্ন তারা কীভাবে দেখে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে এখন বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা আর পাচার করা টাকায় দেশের বিরুদ্ধে বদনাম করা তার (তারেক রহমান) কাজ। দেশের যে টাকা পাচার করে নিয়ে গেছে, এখন সেই টাকা দিয়ে বিদেশে বসে দেশের বদনাম করতে ব্যবহার করছে। বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
২২তম জাতীয় সম্মেলনের আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেষবারের মতো দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে বসে আওয়ামী লীগ। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এ বৈঠক হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলীয়প্রধান শেখ হাসিনা।
যারা দিনের ভোট রাতে নিলেন তারা কি?
ও আচ্ছা আগে এমন করে ভাবি নাই😁😁
👙🩲🩲🩱👞🥾🩰🥿🥿🩰🩲🩲🩲👙🩱👞🩱👞🥾🩱👞👠🧦👡👡👡🧦👡🩱👠🧦👡👡🧦🧦🩲👙🩱🩱👙🩲👙🩱🩱👟👞👞👟🩰🥿🥿🩰👟👟🥾
সুশাসননেই উন্নয়নের মুল
পদ্মা ব্রিজ কিংবা ফ্লাইওভার উন্নয়নের মরিচিকা সুশাসনকে যাদু ঘড়ে বন্দি করে উন্নয়ন বলে গলা পাঠানো চাপাবাজি ছাড়া কিছু না।
অতি সত্যি, আপনারা কয়েকজন ছাড়া দেশের সবাই প্রতিবন্ধী।
তাঁরা আবার বুদ্ধিজীবী হয় কেমনে?
মুনাফিক
Apa You may take a step to make a New Centre .
তাদের সবাইকে উন্নয়নের ছবি ওয়ালা চশমা কিনে দেন এবং বাধ্যতামূলক পড়তে বলুন
Dekhi tu apnar chori tao dekhi je
মানুষ খাইতে পায়না উনারা উন্নয়ন করে
সাধারণ মানুষের পকেট কেটে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার হরনকারীদের উন্নয়ন মানুষ খায় না।
ভোট চুর
উন্নয়ন খাবো নাকি উচ্চ মূল্যে খাদ্যদ্রব্য খাব। লুটপাটের উন্নয়ন আমরা চাই না।
পেটে ভাত নাই এমন উন্নয়ন চাইনা।