রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় আর্জেন্টিনার জার্সি পরে অস্ত্রহাতে অ্যাকশনে নেমেছিলেন আনসার সদস্য মাহিদুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, হঠাৎ করে অ্যালার্ম বেজে ওঠায় যে অবস্থায় ছিলেন, সে অবস্থাতেই তিনি অস্ত্রহাতে বেরিয়ে পড়েন।
আনসার সদস্য মাহিদুর রহমান বলেন, আমি পল্টন থানায় কর্মরত রয়েছি। বুধবার এখানে বিএনপির প্রোগ্রাম ছিল, প্রোগ্রাম চলাকালে মারামারি লাগে। এসময় আমাদের এখানে অ্যালার্ম বেজে ওঠে। ওসি স্যারের নির্দেশ ছিল, অ্যালার্ম বাজলে যে যেই অবস্থায় রয়েছে, সেই অবস্থায় নিচে নামবে। আমি তখন খাওয়া-দাওয়া করে শুয়েছিলাম। অ্যালার্ম বাজার সঙ্গে সঙ্গেই যেই অবস্থায় ছিলাম, সেই অব্স্থাতেই অস্ত্রহাতে নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। শুধু জুতো পরেছি, ড্রেস পরিবর্তন করার সময় পাইনি।
তিনি আরও বলেন, আমার জায়গায় আমিই দায়িত্ব পালন করেছিলাম। আমার জায়গায় অন্য কেউ থাকতে পারবে না। এখন কে কী ভাবছে, সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। আমিই আর্জেন্টিনার জার্সি পরে অনডিউটিতে ছিলাম। খেলা যখন থেকে বুঝি, তখন থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক।
উল্লেখ, বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশের সঙ্গে আর্জেন্টিনার জার্সি পরিহিত অবস্থায় অস্ত্রহাতে এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। প্রথমে পুলিশ ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারলেও পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর রশীদ জানান, ওই ব্যক্তির নাম মাহিদুর রহমান। তিনি আনসার সদস্য হিসেবে পল্টন থানায় দায়িত্ব পালন করছেন।
জাহিদুরের পাসে আরেক জন পায়ে স্যান্ডেল পরে হাতে অস্ত্র নিয়ে কারা এরা
এই চেহারার সাথে পিস্তল হাতে ছবির কোন মিল নেই, এটা নিশ্চয় আল আমীন
তার গুলি চালানো দেখে বোঝা যায় না সেই একজন আনসারের সদস্য আমি মনে করছিলাম বাংদেশের সব বাহিনি বড় অফিসার সেই নিজে এই সব গুলির হিসাব এক এক করে নেওয়া হবে সময় আসছে সেই দিন বেশি দুরে নেই ইনশাআল্লাহ
একজন আনসার সদস্য কি এ-ধরনের অস্ত্র রাখতে পারে? এসব নাটক পাবলিক খাবে না।
জাতির বাবার শ্রেষ্ঠ সন্তান এগিয়ে চল
ওনি বাংলাদেশের গর্ব ওনার বিতর দেশপেম আচে দেশের বাচানুর জন্য ইনিপরম পরতে বুলে গেচেন ওনি ওনার সৈনিক আছে বলে আজকে দেশের এই হাল
নাটক সাজিয়ে লাভ নেই পাবলিক জেনে গেছে আনসার সদস্যের হাতে আমেরিকার অস্ত্র, মানুষ বোকা নেই জেনে গেছে পরিচয়।
গত কয়েক বছরে অনেক পুলিশ দেওয়া হয়েছে , তাহলে একজন আনসার সদস্য কে ( এলার্ম বাজার সাথে সাথে ) সিভিল ড্রেসে আসতে হলো কেন ?
এ ধরনের নির্দেশনার ক্ষেত্রে আরো সতর্কতার প্রয়োজন । কারন এখানে তৃতীয় পক্ষের সুযোগ নেওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় এবং আইনশৃংখলা বাহিনীর
মাঝে ভূল বুঝাবুঝি হয়।
যার ফলশ্রুতিতে পুলিশ ঐ আনসার কে খুজে বের করার কথা বলেছিলো ।
Shall indian
ভাই আপনাকে ধন্যবাদ
এই সরকার ভারতীয় বাহিনীর উপর নির্ভরশীল। দেশে যা ঘটবে এর জন্যে আমেরিকা এবং ভারত দায়ী।
এই লোক সেই নয়
একদিন কাঁদতে হবে।
উনি কি আর্জেন্টিনার প্রশাসন?
Natok
এখন পর্যন্ত কোনো আনসার সদস্যদের কাছে এই ধরনের অস্ত্র কেউ দেখে নাই। আর ভাগ্যিস উনি খালি গায়ে ছিলেন না তাহলে উনি এলার্ম শুনার সাথে সাথে খালি গায়ে ই বের হয়ে যেতেন😃
এখানেকি যুদ্ধ লাগছেনাকি যে এসেই গুলিচালাতে হবে।
আনসারা এই ভাবে অস্ত্র চালাতে পারেনা এটা সাজানো নাটক সাংবাদিক ভায়েরা এটা কোন কেম্পের আনসার তদন্ত করেন
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে শান্তিকামি নিরহ মানুষের উপর গুলি চালানো এটা একটা অমানবিক কার্যকলাপ আর্জেন্টিনা একটি ফুটবল টিম তারা মানুষ মারার জন্য এই জার্সি গায়ে দেয় না তাই আর্জেন্টিনা দলকে ও জার্সিকে অবমাননা করার অধিকার তাকে কে দিয়েছে অবিলম্বে ওর কঠিন বিচার দাবি করছি
সময় হলে যোগ বিয়োগ খুব ভালো ভাবে বাহির করা হবে ইনশাআল্লাহ। অপেক্ষায় থাকো সবাই।
তুই আনচার সদ্স্য হইয়া কিভাবে গুলি চালালি তোর কি পরিনতি হতেপারে তা ভাবলিনা
ও ভারতের বিজ
তাকে গ্রেফতার করা হোক
সে নাকি অন ডিউটিতে ছিল তবে জার্সি কেন