কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের নিক্ষিপ্ত চেয়ারের আঘাতে সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আহত হয়েছেন। নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। আওয়ামী লীগের সম্পাদক মন্ডলীর মতবিনিময় সভা চলার সময়ে শনিবার সন্ধ্যায় অডিটরিয়াম হলরুমে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, ২২অক্টোবর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল বাস্তবায়ন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সম্পাদক মন্ডলীর মতবিনিময় সভা ডাকা হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সাধারণ আজাহার আলী সরকার রাজা এবং সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন মন্টুর মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। আজাহার আলী সরকার রাজা চড়াও হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন মন্টুকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছুড়ে মারে। এতে তার বুক ও মুখে আঘাত লাগলে তিনি আহত হন। আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন মন্টুকে উদ্ধার করে করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাহার আলী সরকার রাজা বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলী ও সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন মঞ্জু উলিপুরে এসে উপজেলার ইউনিয়ন এবং পৌরসভার ত্রুটিপূর্ণ কমিটিগুলো ঠিক করার জন্য বলেন। কিন্তু আজ অবধি সেগুলো ঠিক করা হয়নি। এ বিষয়ে কথা বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে উচ্চবাচ্য কথা বললে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনা ঘটে।
সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন মন্টু বলেন, সভায় আমাকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর কথা বললে উপস্থিত নেতাকর্মীরা আজাহার আলী সরকার রাজা থামিয়ে দেয়। এরপর সে আমাকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছুড়ে মারলে আমি গুরুতর আহত হই। নেতাকর্মীরা আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করায়। আমার জানা মতে কাউন্সিল বানচাল করার জন্য একটি মহলের নির্দেশে সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবির উদ্দিন সরকার বলেন, হঠাৎ করে কেন তিনি চেয়ার ছুড়ে মারলেন তা বোধগম্য নয়।